পূর্ণিমা

পূর্ণিমা ফিরেছেন শুটিংয়ে

বিনোদন

পূর্ণিমা ফিরেছেন শুটিংয়েঃ করোনামুক্ত হয়ে চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে ফিরেছিলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিংয়ের পর বিরতীতে যান তিনি। এক দিন শুটিং না করতেই আবার অসুস্থ হয়ে পড়লেন। পূর্ণিমা অসুস্থ হয়ে পড়ায় আজ রোববারের শুটিং স্থগিত করা হয়েছে। প্রথম আলোকে ছবির শুটিং স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল।

কোভিড-১৯ টেস্ট করান চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। ফলাফল করোনা পজিটিভ। এরপর নিজে বাসায় আইসোলেশনে চলে যান। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে প্রয়োজনীয় ওষুধপথ্য সেবন করেন। দ্বিতীয়বার টেস্ট করলে করোনা নেগেটিভ আসে। এরপর তিন থেকে চার দিনের বিরতি শেষে গতকাল শনিবার এফডিসিতে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নেন।

দিনভর শুটিং শুরু করেন পূর্ণিমা ও ফেরদৌস। শুটিং শেষে রাতে বাসায় ফেরার পর জ্বর আসে পূর্ণিমার। সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা ।

হঠাৎ পূর্ণিমার অসুস্থতায় শুটিং বন্ধ হয়ে গেল। এতে পরিচালকও কিছুটা বিপাকে পড়েছেন। নেয়ামূল বলেন, ‘কী আর করা। অসুস্থতার ওপর কারও কোনো হাত নেই। আপাতত পূর্ণিমার সুস্থ হওয়াটা জরুরি। এরপর আবার শুটিংয়ের পরিকল্পনা করব।’

‘গাঙচিল’ ছবিতে কাজ শুরুর মধ্য দিয়ে চিত্রনায়ক ফেরদৌস ২১৭ দিন পরে শুটিংয়ে ফেরেন। এর আগে তিনি ‘বিউটি সার্কাস’ ছবির শুটিং করেছিলেন।

নেয়ামূল বলেন, ‘পূর্ণিমার সুস্থতার খবরটি নিশ্চিত। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে শুটিংয়ের পরিকল্পনা করি। সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তে শুরু হয় “গাঙচিল” ছবির শুটিং। একটা পর্যায়ে শুটিংয়ের শেষ দিকে শারীরিক অসুস্থ অনুভব করেন। বাসায় ফেরার পরে রাতে জ্বর আসে। শুনলাম, সারা শরীরে ব্যথাও আছে। তাই আপাতত শুটিং বন্ধ রাখতে হচ্ছে। শুটিংয়ের জন্য এফডিসিতে ব্যয়বহুল সেট তৈরি করা হয়েছে। তাই অপেক্ষা করছি। শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে কাল থেকেই আবার শুটিংয়ের পরিকল্পনা আছে।

আরো পড়ুনঃ আড়ত থেকে আলু গায়েব

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের লেখা উপন্যাস ‘গাঙচিল’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে একই নামে সিনেমা। ছবিটিতে সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস এবং এনজিওকর্মীর ভূমিকায় পূর্ণিমা। বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আরও অভিনয় করছেন আফজাল হোসেন, তারিক আনাম খান, আনিসুর রহমান মিলন, আহসানুল হক মিনু প্রমুখ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *